পতঙ্গ জাতীয় প্রাণীর দুইটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। পতঙ্গ অমেরুদণ্ডী প্রাণী।
২। এদের দেহে সাধারণত তিন জোড়া (ছয়টি) পা থাকে।
উভচর প্রাণীদের দেহ এক ধরনের মসৃণ ও ভেজা ত্বক দ্বারা আবৃত থাকে।
প্রাণীরা হাঁটা, দৌড়ানো ও লাফ দেয়ার কাজে নিজেদের পা ব্যবহার করে।
উভচর জাতীয় প্রাণীর তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। উভচর প্রাণী জল ও স্থল উভয় জায়গাতেই বাস করে।
২। এরা পানিতে ডিম পাড়ে।
৩। এরা সাধারণত লাফিয়ে চলাচল করে।
মাছের তিনটি অঙ্গের নাম হলো-
১। পাখনা, ২। আঁইশ ও ৩। ফুলকা।
চোখের তিনটি কাজ হলো-
১। চোখ দিয়ে প্রাণী আশপাশের সবকিছু দেখে।
২। চোখ দিয়ে দেখে খাবার সংগ্রহ করে।
৩। শত্রুর কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চোখ সহায়তা করে।
চলাচল করা প্রাণীর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। কারণ খাদ্য সংগ্রহ এবং নিজেকে রক্ষা করার জন্য প্রাণীকে চলাচল করতে হয়। এছাড়াও বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রাণীকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে হয়।
যেসব প্রাণীর দেহে হাড়ের উপস্থিতি থাকে না তাদেরকে হাড়বিহীন প্রাণী বলে। যেমন- কেঁচো, কাঁকড়া, প্রজাপতি ইত্যাদি।
হাড়বিশিষ্ট তিনটি প্রাণীর নাম হলো-১। মানুষ, ২। দোয়েল পাখি ও ৩। গরু।
হাড়বিহীন তিনটি প্রাণীর নাম হলো-১। মাকড়সা, ২। প্রজাপতি ও ৩। কেঁচো।
মেরুদণ্ডী প্রাণীদের পাঁচটি দলে ভাগ করা যায়। যেমন-মাছ, উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী।
তিনটি অমেরুদণ্ডী প্রাণীর নাম হলো-১। কেঁচো, ২। শামুক ও ৩। প্রজাপতি।
যেসকল প্রাণী পানিতে বাস করে, ডিম পাড়ে, দেহ আঁইশ দ্বারা আবৃত এবং পাখনার সাহায্যে পানিতে সাঁতার কাটে তাদেরকে মাছ বলে। যেমন- রুই, কাতলা, কৈ, মাগুর, শিং মাছ ইত্যাদি।
মাছের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। মাছ পানিতে বাস করে।
২। এরা ডিম পাড়ে।
৩। পাখনার সাহায্যে পানিতে সাঁতার কাটে।
সরীসৃপ প্রাণীর তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। সরীসৃপ শ্রেণির অধিকাংশ প্রাণী জলে বা স্থলে বাস করে।
২। এরা স্থলে ডিম পাড়ে।
৩। এরা পা দিয়ে হাঁটে অথবা বুকে ভর দিয়ে চলে।
সাপ জলে ও স্থলে বাস করে। দেহ এক ধরনের শুষ্ক আঁশযুক্ত ত্বক দ্বারা আবৃত থাকে। এরা স্থলে ডিম পড়ে এবং বুকে ভর দিয়ে চলে। সাপের এসব বৈশিষ্ট্য সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর অনুরূপ হওয়ায় সাপকে সরীসৃপ বলা হয়।
তিনটি সরীসৃপ প্রাণী হলো-
১। সাপ, ২। টিকটিকি ও ৩। কুমির।
পাখির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। বেশির ভাগ পাখি ডানা মেলে উড়তে পারে।
২। এদের দেহ পালকে ঢাকা থাকে।
৩। এরা ডিম পাড়ে।
যেসকল প্রাণী ডানা মেলে উড়তে পারে, দেহ পালকে ঢাকা থাকে এবং ডিম পাড়ে তাদেরকে পাখি বলা হয়। যেমন-দোয়েল, ময়না, টিয়া ইত্যাদি।
যেসকল প্রাণীর দেহ পশম, লোম বা ত্বক দিয়ে ঢাকা থাকে, দৌড়ানোর কাজে পা ব্যবহার করে, বাচ্চা জন্ম দেয় এবং বাচ্চা মায়ের দুধ পান করে তাদেরকে স্তন্যপায়ী প্রাণী বলে। যেমন- মানুষ, কুকুর, বিড়াল, তিমি, ডলফিন, বাদুড় ইত্যাদি।
স্তন্যপায়ী প্রাণীর তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহ পশম, লোম বা ত্বক দিয়ে ঢাকা থাকে।
২। এরা বাচ্চা জন্ম দেয়।
৩। এদের বাচ্চারা মায়ের দুধ পান করে।
তিনটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর নাম হলো-১। তিমি, ২। রাদুড় ও ৩। ডলফিন।
যেসকল অমেরুদণ্ডী, প্রাণীর একটি তিন খণ্ডের দেহ (মস্তক, বক্ষ ও উদর), তিন জোড়া পা এবং এক জোড়া অ্যান্টেনা বা শুঙ্গ থাকে তাদেরকে কীটপতঙ্গ বলে। যেমন- প্রজাপতি, মৌমাছি, ড্রাগনফ্লাই, ঘাসফড়িং, পিঁপড়া, মাকড়সা ইত্যাদি।
তিনটি কীটপতঙ্গের নাম হলো-১। প্রজাপতি, ২। মৌমাছি ও ৩। পিঁপড়া।
কীট ও পতঙ্গ উভয়ই পোকা হলেও কীট উড়তে পারে না, কিন্তু পতঙ্গ উড়তে পারে। প্রজাপতি মূলত পতঙ্গ। এ কারণেই প্রজাপতি উড়তে পারে।
পিঁপড়া একটি কিট। এটি পতঙ্গ নয়। কেননা পিঁপড়া পতঙ্গের মতো উড়তে পারে না। এ কারণেই পিঁপড়াকে কীট বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!